advertisement
advertisement

যুদ্ধবিরতির পর গাজার ভবিষ্যৎ কী হবে, কতটা চ্যালেঞ্জ সামনে


দৈনিক ঘরেবসে সংবাদ |প্রতিবেদক: Mehedi Hasan প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির পর গাজার ভবিষ্যৎ কী হবে, কতটা চ্যালেঞ্জ সামনে

যুদ্ধবিরতির পর গাজার ভবিষ্যৎ কী হবে, কতটা চ্যালেঞ্জ সামনে

advertisement
ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের ক্রমাগত শব্দের নিচে জিহাদ আবু মানদিল গাজার দির আল-বালাহ্‌ শরণার্থীশিবিরে তাদের ছোট্ট অস্থায়ী তাঁবুতে তাঁর পাঁচ সন্তানকে খেলনা পশু নিয়ে খেলতে দেখছিলেন। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যার মধ্যে এটি ছিল শৈশবের ক্ষণিকের এক ঝলক।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস এই জাতিগত নিধনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গাজায় জীবনের প্রায় প্রতিটি উৎস ধ্বংস করে দিয়েছে। হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো পাড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে ৯০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে তারা।ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের ক্রমাগত শব্দের নিচে জিহাদ আবু মানদিল গাজার দির আল-বালাহ্‌ শরণার্থীশিবিরে তাদের ছোট্ট অস্থায়ী তাঁবুতে তাঁর পাঁচ সন্তানকে খেলনা পশু নিয়ে খেলতে দেখছিলেন। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যার মধ্যে এটি ছিল শৈশবের ক্ষণিকের এক ঝলক।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস এই জাতিগত নিধনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গাজায় জীবনের প্রায় প্রতিটি উৎস ধ্বংস করে দিয়েছে। হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো পাড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে ৯০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে তারা।ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের ক্রমাগত শব্দের নিচে জিহাদ আবু মানদিল গাজার দির আল-বালাহ্‌ শরণার্থীশিবিরে তাদের ছোট্ট অস্থায়ী তাঁবুতে তাঁর পাঁচ সন্তানকে খেলনা পশু নিয়ে খেলতে দেখছিলেন। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যার মধ্যে এটি ছিল শৈশবের ক্ষণিকের এক ঝলক।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস এই জাতিগত নিধনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গাজায় জীবনের প্রায় প্রতিটি উৎস ধ্বংস করে দিয়েছে। হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো পাড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে ৯০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে তারা।ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের ক্রমাগত শব্দের নিচে জিহাদ আবু মানদিল গাজার দির আল-বালাহ্‌ শরণার্থীশিবিরে তাদের ছোট্ট অস্থায়ী তাঁবুতে তাঁর পাঁচ সন্তানকে খেলনা পশু নিয়ে খেলতে দেখছিলেন। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যার মধ্যে এটি ছিল শৈশবের ক্ষণিকের এক ঝলক।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস এই জাতিগত নিধনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গাজায় জীবনের প্রায় প্রতিটি উৎস ধ্বংস করে দিয়েছে। হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো পাড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে ৯০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে তারা।
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর